তাসকিন-ধোনির ‘বীভৎস’ ছবির দায় কেন নেবে বাংলাদেশ?
প্রথম দৃষ্টিতেই চোখে পড়বে রং-তুলিতে আঁকা তাসকিন আহমেদের ছবিটা। দেখতে বেশ ভালোই লাগে। প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে পাঠিয়ে নিজের আত্মপ্রত্যয় ঘোষণার তাসকিনের সেই চেনা ভঙ্গিটি। কিন্তু একি! তাসকিনের হাতে এটা কী! এ যে ভারতীয় অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির একটা মাথা। প্রথম দেখায় যে ছবিটা আপনার ভালো লেগেছিল, সেই ছবিটাই এখন আপনার মনে তীব্র বিরক্তি এনে দিতে বাধ্য। ছবিটি যতই সুন্দর হোক, এর আঁকিয়ের রুচিবোধ নিয়ে আপনার মনে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য।
আলোচিত এই ছবিটিই গত দুই-একদিন ধরে বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল। তবে সবাই যে খুব আনন্দ নিয়ে ছবিটি শেয়ার করছেন, সেটা কিন্তু বলা যাবে না। ছবিটি শেয়ার করে বেশির ভাগ মানুষই কিন্তু এর নিন্দাই করছেন। দিনের শেষে যা কেবল একটা খেলাই, সেই খেলার উপলক্ষে এ ধরনের কুরুচিকর কিছু কেন তৈরি হবে, সবার মনের প্রশ্ন এটিই।
ব্যাপারটা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেই আবদ্ধ ছিল। সামাজিক মাধ্যমে তো কত কিছুই ছড়ায়। সেখানে সংবেদনশীল মানুষ যেমন আছে, ঠিক তেমনি আছে ঘৃণা-বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়ার মতো নিচু মনের অসংখ্য মানুষও। কিন্তু সমস্যাটা তৈরি হলো তখনই, যখন ভারতীয় গণমাধ্যম ছবিটি প্রকাশ করে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের উত্তেজিত করে তুলতে উদ্যত হলো ।
বাংলাদেশের কোনো মূলধারার শীর্ষ গণমাধ্যম যেখানে এই কুরুচিপূর্ণ ছবিটি প্রকাশ করেনি, সেখানে ভারতের শীর্ষ গণমাধ্যমগুলো কেন এই ছবিটি দিয়ে সংবাদ ছেপেছে সেটা না বোঝার কারণ নেই। শীর্ষ দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়া থেকে শুরু করে ইংরেজি ভাষার বেশ কয়েকটি ভারতীয় সংবাদপত্রই এটি নিয়ে সংবাদ করেছে। কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা, এবেলা প্রমুখ পত্রিকাতেও এই ছবিটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচিত এই ছবিটিই গত দুই-একদিন ধরে বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল। তবে সবাই যে খুব আনন্দ নিয়ে ছবিটি শেয়ার করছেন, সেটা কিন্তু বলা যাবে না। ছবিটি শেয়ার করে বেশির ভাগ মানুষই কিন্তু এর নিন্দাই করছেন। দিনের শেষে যা কেবল একটা খেলাই, সেই খেলার উপলক্ষে এ ধরনের কুরুচিকর কিছু কেন তৈরি হবে, সবার মনের প্রশ্ন এটিই।
ব্যাপারটা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেই আবদ্ধ ছিল। সামাজিক মাধ্যমে তো কত কিছুই ছড়ায়। সেখানে সংবেদনশীল মানুষ যেমন আছে, ঠিক তেমনি আছে ঘৃণা-বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়ার মতো নিচু মনের অসংখ্য মানুষও। কিন্তু সমস্যাটা তৈরি হলো তখনই, যখন ভারতীয় গণমাধ্যম ছবিটি প্রকাশ করে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের উত্তেজিত করে তুলতে উদ্যত হলো ।
বাংলাদেশের কোনো মূলধারার শীর্ষ গণমাধ্যম যেখানে এই কুরুচিপূর্ণ ছবিটি প্রকাশ করেনি, সেখানে ভারতের শীর্ষ গণমাধ্যমগুলো কেন এই ছবিটি দিয়ে সংবাদ ছেপেছে সেটা না বোঝার কারণ নেই। শীর্ষ দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়া থেকে শুরু করে ইংরেজি ভাষার বেশ কয়েকটি ভারতীয় সংবাদপত্রই এটি নিয়ে সংবাদ করেছে। কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা, এবেলা প্রমুখ পত্রিকাতেও এই ছবিটি প্রকাশ করা হয়েছে।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে যায়, কোনো এক রুচিহীন ব্যক্তির আঁকা এই ছবিটির দায়ভার পুরো বাংলাদেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কেন? যেখানে বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষই খেলার নামে এ ধরনের হিংসা-বিদ্বেষ ছড়ানোর ঘোর বিরোধী? সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও এই ছবিটি নিয়ে যেখানে আলোচনার চেয়ে সমালোচনা ও নিন্দার সংখ্যাই বেশি, সেখানে ভারতীয় গণমাধ্যমে এই ছবিটি প্রকাশ ও এটিকে এশিয়া কাপ ফাইনালের আগে আলোচনার বিষয় বানানোকে সন্দেহের চোখে দেখাই যায়।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতিআরা নাসরিন বিষয়টিকে খারাপ প্রতিবেদনের উদাহরণ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি তাঁর ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল তাসকিনের হাতে ধোনির কাটা মুণ্ডু’ শীর্ষক প্রতিবেদনটিতে প্রথম মন্তব্যে দিলাম খারাপ প্রতিবেদনের উদাহরণ হিসেবে।
কেননা,
১. ‘সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে’ দাবি করা এই ছবিটি আমার নিউজফীডে যতবার চোখে পড়েছে, ততবারই ‘এ ধরনের ছবি কেন তৈরি হয়েছে’, তার নিন্দা এবং উদ্বেগ সহই দেখেছি। এমনকি এ কথাও বলতে দেখেছি যে, ‘ছবিটি প্রচার করাই উচিত নয়’—‘ছবি নয়, শুধু বর্ণনা দিয়ে নিন্দা করা উচিত ।’
২. ‘এভাবেই শুরু হয়ে গিয়েছে মাঠের বাইরের লড়াই’ হিসেবে অর্থাৎ ফাইনাল খেলার প্রস্তুতিমূলক প্রচার হিসেবে কাউকে ছবিটি ব্যবহার করতে আমার নিউজ-ফিডে আমি দেখিনি।’
৩. বাংলাদেশে কোনো মূলধারার সংবাদমাধ্যম এই ছবিটি রিপোর্ট করেনি (করা উচিত নয়)।
লেখা বাহুল্য, আনন্দবাজার একটি মূলধারার সংবাদমাধ্যম।’
শনিবার ম্যাচ-উত্তর সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় টিম ডিরেক্টর রবি শাস্ত্রীকেও এই ছবির প্রসঙ্গে একটা প্রশ্ন করা হয়েছিল। প্রশ্নটি তিনি এড়িয়ে গেছেন স্বাভাবিকভাবেই। বলেছেন, আমরা কেউ সংবাদপত্র পড়ি না, আমাদের অখণ্ড মনোযোগ ক্রিকেটের দিকেই।’
বিচ্ছিন্ন একটি ঘটনাকে গোটা বাংলাদেশের ঘাড়ে চাপিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশের মনোযোগে হয়তো বাগ্ড়াই দিতে চাইছে!
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতিআরা নাসরিন বিষয়টিকে খারাপ প্রতিবেদনের উদাহরণ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি তাঁর ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল তাসকিনের হাতে ধোনির কাটা মুণ্ডু’ শীর্ষক প্রতিবেদনটিতে প্রথম মন্তব্যে দিলাম খারাপ প্রতিবেদনের উদাহরণ হিসেবে।
কেননা,
১. ‘সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে’ দাবি করা এই ছবিটি আমার নিউজফীডে যতবার চোখে পড়েছে, ততবারই ‘এ ধরনের ছবি কেন তৈরি হয়েছে’, তার নিন্দা এবং উদ্বেগ সহই দেখেছি। এমনকি এ কথাও বলতে দেখেছি যে, ‘ছবিটি প্রচার করাই উচিত নয়’—‘ছবি নয়, শুধু বর্ণনা দিয়ে নিন্দা করা উচিত ।’
২. ‘এভাবেই শুরু হয়ে গিয়েছে মাঠের বাইরের লড়াই’ হিসেবে অর্থাৎ ফাইনাল খেলার প্রস্তুতিমূলক প্রচার হিসেবে কাউকে ছবিটি ব্যবহার করতে আমার নিউজ-ফিডে আমি দেখিনি।’
৩. বাংলাদেশে কোনো মূলধারার সংবাদমাধ্যম এই ছবিটি রিপোর্ট করেনি (করা উচিত নয়)।
লেখা বাহুল্য, আনন্দবাজার একটি মূলধারার সংবাদমাধ্যম।’
শনিবার ম্যাচ-উত্তর সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় টিম ডিরেক্টর রবি শাস্ত্রীকেও এই ছবির প্রসঙ্গে একটা প্রশ্ন করা হয়েছিল। প্রশ্নটি তিনি এড়িয়ে গেছেন স্বাভাবিকভাবেই। বলেছেন, আমরা কেউ সংবাদপত্র পড়ি না, আমাদের অখণ্ড মনোযোগ ক্রিকেটের দিকেই।’
বিচ্ছিন্ন একটি ঘটনাকে গোটা বাংলাদেশের ঘাড়ে চাপিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশের মনোযোগে হয়তো বাগ্ড়াই দিতে চাইছে!

No comments:
Post a Comment